অনলাইন ইনকাম গাইডলাইন-২০২২

আমরা সবাই চাই নিজে কিছু টাকা ইনকাম করতে কিন্তু কিভাবে কোন পথ অবলম্বন করে ইনকাম করা লাগবে তা নিয়ে সবার মধ্যে একটি দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাজ করে। একটা সময় ইনকাম করার জন্য হন্যে হয়ে চাকরি বা পার্ট টাইম জব খুজতে হত শিক্ষার্থীদের কিন্তু বর্তমানে সেই সময় আর নেই। আপনি চাইলেই অনলাইনে ঘরে বসেই ইনকাম করতে পারবেন। 

অনেকে আছেন ছাত্র যারা তাদের পড়াশোনার পাশাপাশি ইনকাম করতে চাই কিন্তু তাদের মনে প্রশ্ন থাকে “কিভাবে পড়াশোনার ক্ষতি না করে কিছু ইনকাম করা যায়”। তাদের এই প্রশ্নের উত্তর একটাই তা হলো অনলাইন ইনকাম৷  যার জন্য আপনাকে বাইরে গিয়ে অনেক বেশি সময় ব্যয় করতে হবে না ঘরে বসেই অল্প কিছু সময়ে কাজ করে ভালো ইনকাম জেনারেট করা সম্ভব। 

যতই সময় যাচ্ছে মানুষের অনলাইন ইনকামের প্রতি আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে তার কারণ হলো এটি অন্যসব চাকরির তুলনায় কম কষ্টসাধ্য বলে মনে করেন মানুষ। 

নিশ্চয়ই আপনি অনলাইন ইনকাম সম্পর্কে আগ্রহী আর তাই আপনি গুগল অথবা ফেসবুকে সার্চ দিয়ে আমাদের ওয়েবসাইটটি খুঁজে পেয়েছেন আজকের পোস্টে আমি আপনাদের মাঝে কয়েকটি অনলাইন ইনকামের কথা শেয়ার করবো যেগুলোর মাধ্যমে আপনি খুব কম সময়ে ভালো কিছু অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। এছাড়াও এসব কাজগুলো নিয়ে আমি আপনাদেরকে দিব নানা রকম টিপস-এন্ড-ট্রিকস। যেগুলো ফলো করে আপনারা দ্রুত সফলতা অর্জন করে নিজেকে দক্ষ করে তুলতে পারবেন এই ফিল্ডে। 

কেন করবেন অনলাইন ইনকাম? 

বর্তমান দেশের প্রেক্ষাপট এতটাই খারাপের দিকে যে চাকরি পাওয়া যেন সোনার হরিণ হাতে পাওয়ার মতো৷ তাই এই যুগে অনলাইন ইনকাম আমাদের তরুন প্রজন্মের জন্য একটি নতুন সম্ভাবনার রাস্তা খুলে দেয়। আর চাকরির ক্ষেত্রে সবার ইনকামটি একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থাকে৷ কিন্তু অনলাইন ফিল্ডে ইনকামের কোন নির্দিষ্ট সীমা নেই৷ আপনি যত বেশি দক্ষতা অর্জন করবেন আপনার ইনকাম ক্রমেই তত বৃদ্ধি 

হতে থাকবে৷ তাই বর্তমান সময়ে অনলাইন ইনকাম একটি অনেক বুদ্ধিমান চয়েস হতে পারে। 

কাদের জন্য অনলাইন ইনকাম? 

এটি একটি বহুল জিজ্ঞাসার প্রশ্ন “ভাইয়া, অনলাইন ইনকামের জন্য কি যোগ্যতা লাগবে?” ” আমি কি পারব অনলাইনে ইনকাম করতে? ” 

হয়ত আপনি পারবেন আবার নাও পারতে পারেন। 

অনলাইন ইনকামের জন্য কিছু জিনিস আপনার মধ্যে থাকা জরুরি। একটি হলো দক্ষতা। আপনাকে কোন বিষয়ে যথেষ্ট দক্ষ হতে। যাতে আপনার এই দক্ষতার বিনিময়ে মানুষ আপনাকে টাকা দিতে বাধ্য থাকে। দক্ষতা ছাড়া অনলাইন থেকে ইনকাম করা কখনোই সম্ভব নয়। তাই আপনাকে প্রথমেই কোন একটি দক্ষতা অর্জন করতে হবে। তারপরে আপনার প্রচুর ধৈর্য থাকতে হবে। আজকে কাজ শুরু করে আগামীকাল থেকে লক্ষ লক্ষ টাকার স্বপ্ন দেখলে অনলাইন ইনকাম আপনার জন্য নয়৷ এখানে আপনার প্রবল ধৈর্য্যে পরীক্ষা দিতে হবে। তারপরে আসে পরিশ্রমী হতে হবে। এগুলো বাসায় বসে করার কাজ হলেও এখানে মেধাশ্রম খাটাতে হবে। তাই যদি আপনি যথেষ্ট পরিশ্রম করতে না পারেন তাহলে এই ফিল্ডে কিছুই করতে পারবেন না।

কিভাবে অনলাইন থেকে আয় করব? 

অনলাইন থেকে আয় করার মূল অর্থ হলো অনলাইন প্ল্যালফর্মে আপনি কোন সার্ভিস বা প্রোডাক্ট বিক্রি করে আয় করা। অনলাইনে আয় করার হাজার হাজার উপায় আছে কিন্তু আপনাকে আগে কোন একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে নিজেকে দক্ষ করে তুলতে হবে। মূলত দক্ষতা ছাড়া এই অনলাইন ফিল্ডে আপনি তেমন কিছুই করতে পারবেন না। আসুন এবার আমরা অনলাইন থেকে আয় করার কয়েকটি উপায় নিয়ে বিস্তারিত জেনে আসি। 

ব্লগিং:- কোন ওয়েবসাইট কিংবা পোর্টালে লিখালিখি করাই হলো ব্লগিং। বর্তমানে ব্লগিং অনলাইন থেকে আয় করার একটি জনপ্রিয় উপায় হয়ে পড়েছে। ব্লগিং এর ইনকাম আসে মূলত ওয়েবসাইট থেকে৷ আপনি নিজের একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে সেখানে নানা বিষয় নিয়ে আর্টিকেল পাবলিশ করবেন। আপনার আর্টিকেল গুলো অবশ্যই এমন হতে হবে যেন তা মানুষের কোন নির্দিষ্ট সমস্যার সমাধান দিতে পারে। যেমন আপনি যদি গুগলে সার্চ দেন “Best ways to make money online ” তাহলে আপনার সামনে অনেক ওয়েবসাইটের আর্টিকেল আসবে। যে আর্টিকেল গুলোতে আপনার সার্চ করা প্রশ্নের উপযুক্ত উত্তর আছে। তাই আপনাকেও এমন বিষয় নিয়ে আর্টিকেল লিখতে হবে যেটা মানুষের কোন সমস্যার সমাধান দিবে। এখন প্রশ্ন হলো ইনকামটা হবে কিভাবে? আপনি যখন ওয়েবসাইটে আর্টিকেল পাবলিশ করবেন তখন আপনার ওয়েবসাইটের নানা সমস্যার সমাধান নিতে মানুষ আসবে। এটিকে ট্রাফিক বলা হয়। আপনার ইনকাম মূলত এই ট্রাফিকের দ্বারাই হবে। ট্রাফিক গুলোকে ব্যবহার করে আপনি কিভাবে ইনকাম করবেন তা জেনে নিই। 

   গুগল এডসেন্স:- আপনি নানা ওয়েবসাইটে ভিজিট করার সময় দেখেছেন চারপাশে নানা রকম এড শো হচ্ছে। এসব বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গুগল এডসেন্সের এড হয়ে থাকে। আপনার ওয়েবসাইটে এড গুলো প্লেস করা হয়। তারপর কতজন ওয়েবসাইট ভিজিট করেছে সেই হিসেবে এডসেন্স থেকে আপনাকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দেওয়া হবে। এডসেন্স এপ্রুভাল পেতে আপনাকে নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে। গুগল এডসেন্স নিয়ে আমাদের বিস্তারিত পোস্ট আছে চাইলে পগে আসতে পারেন। 

  স্পনসর এড:- আপনার ওয়েবসাইটে যদি অনেক বেশি ট্রাফিক এসে থাকে তাহলে আপনি অন্য কোম্পানিদের এপ্রোচ করতে পারেন আপনার ওয়েবসাইটে এড দিতে। এড বসানোর জন্য আপনি সময় হিসেবে অথবা এড ইমপ্রেশনস হিসেবে ঐ কোম্পানিগুলো থেকে টাকা নিতে পারবেন। অথবা কোনো কোম্পানির নির্দিষ্ট কোম্পানির পণ্যের প্রোমোশনাল পোস্ট লিখেও টাকা নিতে পারেন। 

  লিংক এক্সচেঞ্জ:- আপনার ওয়েবসাইটের ডোমেইন অথরিটি যখন অনেক হাই হয়ে যাবে তখন আপনি অন্য ওয়েবসাইট গুলোর কাছে ব্যাক লিংক সেল করতে পারেন। মেইনলি হাই অথরিটি ওয়েবসাইট থেকে যদি অন্য কোন লো অথরিটির ওয়েবসাইট লিংক পায় তাহলে তার এসইও তে অনেক সাহায্য হয়৷ এজন্যই লো অথরিটি ওয়েবসাইট গুলো হাই অথরিটি ওয়েবসাইট থেকে টাকার বিনিময়ে লিংক এক্সচেঞ্জ করে। 

  প্রোডাক্ট সেলিং:- আপনার ওয়েবসাইটে যখন ট্রাফিক আসা শুরু হবে আপনু তাদের কাছে আপনার নিজের কোন পণ্য বা ডিজিটাল সার্ভিস ও বিক্রি করতে পারবেন। আপনি নিজে প্রথমে কোন প্রডাক্ট বা ডিজিটাল সার্ভিস তৈরি করুন তারপর তার বিজ্ঞাপন আপনার ওয়েবসাইটে দিন। আগ্রহী ক্রেতারা আপনার কাছ থেকে কিনে নিবে৷ অল্প ট্রাফিক আসলে এটিতে তেমন ইনকামের সম্ভাবনা নেই তবে যদি অনেক ট্রাফিক আসে তাহলে সম্ভব। 

মূলত এসব উপায়েই ব্লগিং থেকে ইনকাম করতে পারবেন। ব্লগিং এর ক্ষেত্রে আপনাকে একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে তা হলো আপনার ওয়েবসাইটে ট্রাফিক যত বেশি হবে আপনার ইনকাম তত বাড়বে। তাহলে আপনাকে ট্রাফিক আনার দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে৷ ট্রাফিক আনার জন্য আপনাকে এসইও’র দিকে ফোকাস করতে হবে। আরেকটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে তা হলো কন্টেন্ট কোয়ালিটি। যদি আপনার কন্টেন্ট এর কোয়ালিটি ভালো না হয় তাহলে আপনি কখনোই ভিজিটরস পাবেন না।

ইউটিউবিং:- বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম হলো ইউটিউব। আমরা আমাদের দৈনিক অনেক সময়ই ব্যায় করি ইউটিউবে ভিডিও দেখার মাধ্যমে। কিন্তু এই ইউটিউব দিয়ে অনেকেই আয় করছে মোটা অংকের টাকা। ইউটিউবের মাধ্যমে আয় করা জন্য আপনাকে একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলতে হবে। এবং সেখানে ভিডিও আপলোড দিতে হবে । আপনার ভিডিও যত মানুষ দেখবে আপনার ইনকামও তত বেশি হবে। ইউটিউব থেকে আয় করারও কয়েকটি উপায় রয়েছে। 

  এডসেন্স:- বেশিরভাগ ইউটিউবার এটির মাধ্যমেই ইনকাম করে থাকে। আমরা যখন ইউটিউবের ভিউিও দেখি ভিডিওর মাঝে নানা রকম এড দেখতে পাই। এসব এড হলো এডসেন্সের এড। এই এড দেখানোর জন্য ঐ ইউটিউব চ্যানেলেন মালিক একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ পেয়ে থাকে৷ আপনার চ্যানেল এডসেন্সের সকল শর্ত মেনে চললে আপনিও এডসেন্স এড বসিয়ে আয় করতে পারবেন।

  স্পন্সর:- আপনার ভিডিও যখন অনেক জনপ্রিয় হবে। আপনি তখন বিভিন্ন কোম্পানি থেকে স্পন্সরশীপ নিয়ে তাদের প্রোমোশন করেও ভালো অংকের অর্থ আয় করতে পারেন। 

  নিজের পণ্য বিক্রি :- আপনি নিজের কোন পণ্য বা সার্ভিস আপনার ভিউয়ারস দের কাছে প্রোমোট করে বিক্রি করতে পারেন। 

ইউটিউব থেকে আয় করতে হলে আপনার কন্টেন্ট জনপ্রিয় হতে হবে। আপনার ভিউ এবং সাবস্ক্রাইব বেশি থাকতে হবে৷ এবং জনপ্রিয় হওয়ার জন্য উন্নত কন্টেন্ট এর বিকল্প কিছু নেই। পরিশ্রম করে উন্নত মানের কন্টেন্ট তৈরি করুন। দেখবেন আস্তে আস্তে জনপ্রিয়তা পাবেন। 

ই-কমার্স:- বর্তমানে অনলাইনের আরেকটি জনপ্রিয় বিষয় হলো ই-কমার্স। আগে ব্যাবসা শুরু করতে হলে দোকান লাগতো। জায়গা লাগতো। এবং অনেক বড় অংকের বিনিয়োগ লাগতো। এখন সেই দিন শেষ। আপনি অনলাইনে কোন প্রকার দোকান ছাড়াই অল্প বিনিয়োগে আপনার ব্যাবসা পরিচালনা করতে পারবেন। আর এটিকেই ই-কমার্স বলা হয়। মজার বিষয় হলো আপনি অনলাইনে সারােশে সকল মানুষের কাছেই পণ্য বিক্রি করতে পারবেন এই ই-কমার্সে। বর্তমানে শুধু মাত্র ফেসবুক ব্যবহার করে ব্যবসা করেই আর্থিক ভাবে সচ্ছল হচ্ছে বহু লোক। তাহলে আপনি কেন পিছিয়ে? অনলাইনে ব্যবসা করতে হলে আপনাকে প্রথমেই উপযুক্ত প্রোডাক্ট রিসার্চ করতে হবে। কারণ অনলাইনে সব ধরনের পণ্যের চাহিদা নেই আপনাকে অনলাইনে চাহিদা আছে এমন পণ্য খুজে বের করতে হবে তারপরই ব্যবসা শুরু করবেন। 

ফ্রিলেন্সিং:- আপনার কোন দক্ষতাকে অনলাইনে সার্ভিস হিসেবে বিক্রি করাকে ফ্রিলেন্সিং বলে। বর্তমানে আমাদের নানা রকমের ডিজিটাল সার্ভিসের দরকার হয় তখন আমরা দক্ষ কোন মানুষকে খুঁজি সেই কাজটি করিয়ে নেওয়ার জন্য। আর আমরা এমন দক্ষ কারো দিয়ে কাজের বিনিময়ে টাকা দিয়ে থাকি। এটি অনেক জনপ্রিয় একটি কাজ৷ এখানে আপনি দেশে বসেই সারা বিশ্বের মানুষের কাছে আপনার সার্ভিস বিক্রি করতে পারবেন। চলুন এখন জনপ্রিয় কিছু অনলাইন সার্ভিস অথবা দক্ষতা সম্পর্কে জেনে আসি যা বিক্রি করে মানুষ অনেক ভালো টাকা আয় করছে। 

  ১)আর্টিকেল রাইটিং:- আমরাতো একটু আগেই ব্লগিং নিয়ে আলোচনা করে এসেছি। আমরা তখন জেনেছি একটি ভালো ব্লগ তৈরির জন্য আর্টিকেলের গুরুত্ব অন্যতম। কিন্তু সবাই তো এত ভালো আর্টিকেল লিখতে পারে না তাই তারা আর্টিকেল রাইটার হায়ার করে তাদেরকে টাকা দিয়ে আর্টিকেল লিখিয়ে নেয়৷ বর্তমানে মার্কেটপ্লেস গুলোতে আর্টিকেল রাইটারের চাহিদা অনেক। 

  ২) গ্রাফিক্স ডিজাইন:- আমাদের আশে পাশে আমরা এখন অনেক ধরণের ডিজাইন দেখতে পাই। যেমন:- টি-শার্ট ডিজাইন, বিজনেস কার্ড ডিজাইন, ব্যানর ডিজাইন, পোস্টার ডিজাইন আরো কত কি। এই ডিজাইন গুলো কিন্তু কোন একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার করে থাকে। যদি আপনার গ্রাফিক্স ডিজাইন নিয়ে ভালো দক্ষতা থাকে তাহলে আপনিও মার্কেটপ্লেসে গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে সার্ভিস সেল করতে পারবেন। 

  ৩) ওয়েব ডেভেলপার:- বর্তমানে বড় বড় কোম্পানি গুলোর সবারই কোন না কোন ওয়েবসাইট রয়েছে। ওয়েবসাইট ছাড়া কোন কোম্পানি নেই বললেও চলে। আর যারা ওয়েব ডেভলপার তাদের এসব কোম্পানি গুলো হায়ার করে তাদের ওয়েবসাইট ডিজাইন, ডেভেলপ এন্ড ম্যানেজ করার জন্য। আপনার যদি দক্ষতা থাকে এ বিষয়ে তাহলে আপনিও সার্ভিস দিতে পারেন। 

  ৪) এসইও:- বর্তমানে যেকোনো বিজনেস বলুন আর ব্লগ সাইট বলুন সার্চ ইঞ্জিনে রেংক করাতে এসইও’র কোন বিকল্প নেই। এসইও এক্সপার্টদের হায়ার করে ব্লগার বা বিজনেস ম্যানরা তাদের ওয়েবসাইট গুগলের টপ অর্গানিক রেংকিং আনায় এবং বিনিময়ে তাদের টাকা দেয়৷ আপনি যদি এই দক্ষতা অর্জন করতে পারেন তাহলে আপনিও একজন এসইও এক্সপার্ট হিসেবে সার্ভিস দিতে পারবেন। 

ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য আপনাকে প্রথমেই কোন একটা স্কিল অনেক ভালো ভাবে আয়ত্ত করতে হবে তারপরে আপনি ফাইবার, আপওয়ার্ক, ফ্রিল্যান্সার ডট কমের মতো ওয়েবসাইটে আপনার সার্ভিস বিক্রি করতে পারবেন। মনে রাখবেন ভুলেও ভালো স্কিল ছাড়া এই ফিল্ডে আসবেন না। 

শেষ কথা

অনলাইন থেকে আয় করার কয়েকটি উপায় শেয়ার করেছি। আরো অনেক অনেক উপায় আছে কিন্তু তা একটি পোস্টে শেয়ার করা সম্ভব নয়। অনলাইন থেকে আয় করতে হলে মনে রাখবেন ধৈর্য্য থাকা লাগবে এবং সততার সাথে কাজ করতে হবে তবেই আপনি ভালো করতে পারবেন। ধন্যবাদ এতক্ষণ ধৈর্য ধরে পোস্টটি পড়ার জন্য।

Leave a Comment